শিল্পখাতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি, বিদ্যুৎ সাশ্রয় এবং কার্বন নিঃসরণ কমানোর লক্ষ্যে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে দেশের প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন। সূর্যের আলোকে কাজে লাগিয়ে পরিবেশবান্ধব বিদ্যুৎ উৎপাদন, সেই বিদ্যুৎ নিজস্ব কারখানায় ব্যবহার, জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ এবং বাসাবাড়ির বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও ইলেকট্রিক পণ্য পরিচালনার সমন্বিত ব্যবস্থা চালু করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এই সমন্বিত প্রযুক্তিব্যবস্থার নাম দেওয়া হয়েছে ‘ওয়ালটন সোলার ইকো-সিস্টেম’।

ওয়ালটনের এই উদ্যোগের মাধ্যমে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন থেকে শুরু করে বিদ্যুৎ সংরক্ষণ ও ব্যবহার পর্যন্ত একটি সমন্বিত ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। এর আওতায় সোলার প্যানেল, ইনভার্টার, ব্যাটারি এবং সৌরশক্তিনির্ভর বিভিন্ন গৃহস্থালি পণ্যকে একই ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। বিশেষ করে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার করে ফ্রিজ, এয়ার কন্ডিশনার (এসি), স্মার্ট টেলিভিশনসহ বিভিন্ন পণ্য চালানোর প্রযুক্তি প্রদর্শন করেছে ওয়ালটন।

ওয়ালটনের তথ্য অনুযায়ী, নিজস্ব কারখানায় রুফটপ ও ভাসমান সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে ৩২ মেগাওয়াট সক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন করছে। রুফটপ সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পে ভবনের ছাদে সৌর প্যানেল স্থাপন করা হয়। অন্যদিকে, ভাসমান সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পে পানির ওপর উপযোগী কাঠামো ব্যবহার করে সৌর প্যানেল স্থাপন করা হয়।

এই দুই ধরনের প্রকল্পের মাধ্যমে সৌরশক্তিকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে প্রতিষ্ঠানটি। উৎপাদিত বিদ্যুতের একটি বড় অংশ ওয়ালটনের নিজস্ব শিল্পকারখানার উৎপাদন কার্যক্রমে ব্যবহার করা হচ্ছে। ফলে প্রচলিত বিদ্যুতের ওপর নির্ভরতা কমানোর পাশাপাশি কারখানার বিদ্যুৎ ব্যয় সাশ্রয়ের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।

প্রতিষ্ঠানটির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ৩২ মেগাওয়াট সক্ষমতার এই সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন দেশের একটি বড় জেলা শহরের মোট বিদ্যুৎ চাহিদার সমপর্যায়ের। এ উদ্যোগ শিল্পপ্রতিষ্ঠানে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণের একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

ওয়ালটনের সোলার ইকো-সিস্টেমের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডে সৌরবিদ্যুৎ সরবরাহ। নিজস্ব উৎপাদন কার্যক্রমে প্রয়োজন মেটানোর পর সৌরবিদ্যুতের উদ্বৃত্ত অংশ নেট মিটারিং ব্যবস্থার মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করছে প্রতিষ্ঠানটি।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, নেট মিটারিং ব্যবস্থার মাধ্যমে ওয়ালটন বছরে গড়ে প্রায় ১১৫০ মেগাওয়াট-ঘণ্টা সৌরবিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করছে। এই ব্যবস্থায় সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন ও ব্যবহারের হিসাব সমন্বয় করা যায়। নিজস্ব ব্যবহারের পর অতিরিক্ত বিদ্যুৎ গ্রিডে সরবরাহের সুযোগ থাকায় সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হয়।

শিল্পকারখানায় উৎপাদিত নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ শুধু প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব চাহিদা পূরণেই সীমাবদ্ধ থাকছে না; বরং জাতীয় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায়ও অবদান রাখছে। এর ফলে শিল্পখাতে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার সম্প্রসারণের পাশাপাশি বিদ্যুৎ উৎপাদন ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে আরও সমন্বিত পদ্ধতি গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি হচ্ছে।

শনিবার (১০ অক্টোবর) রাজধানীর বসুন্ধরায় ওয়ালটনের করপোরেট অফিসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ‘ওয়ালটন সোলার ইকো-সিস্টেম’ আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই সমন্বিত সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তিব্যবস্থার উদ্বোধন করেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির চেয়ারম্যান এস এম শামছুল আলম, ভাইস চেয়ারম্যান এস এম আশরাফুল আলম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম, পরিচালক এস এম রেজাউল আলম, এস এম মঞ্জুরুল আলম অভি এবং তাহমিনা আফরোজ তান্না উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ওয়ালটনের সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনব্যবস্থা, বিদ্যুৎ সংরক্ষণ প্রযুক্তি এবং সৌরশক্তিনির্ভর বিভিন্ন পণ্য সম্পর্কে অতিথিদের অবহিত করা হয়। একই সঙ্গে এসব পণ্যে ব্যবহৃত আধুনিক প্রযুক্তি ও জ্বালানি সাশ্রয়ের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।

ওয়ালটনের সোলার ইকো-সিস্টেমের অন্যতম আকর্ষণ হলো সৌরবিদ্যুৎ ও প্রচলিত গ্রিড বিদ্যুতের সমন্বয়ে পরিচালিত গৃহস্থালি পণ্য। এর মধ্যে রয়েছে সোলার হাইব্রিড প্রযুক্তিনির্ভর রেফ্রিজারেটর, এয়ার কন্ডিশনার এবং স্মার্ট টেলিভিশন।

সাধারণত বাসাবাড়িতে এসব পণ্য পরিচালনার জন্য প্রচলিত বিদ্যুতের প্রয়োজন হয়। তবে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন, সংরক্ষণ এবং উপযুক্ত প্রযুক্তির সমন্বয়ের মাধ্যমে এসব পণ্যে বিকল্প বিদ্যুৎ উৎস ব্যবহারের সুযোগ তৈরি করা যায়। ওয়ালটনের প্রদর্শিত সোলার হাইব্রিড প্রযুক্তিতে সৌরবিদ্যুৎ ও জাতীয় গ্রিডের বিদ্যুৎ সমন্বিতভাবে ব্যবহারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

এই প্রযুক্তির লক্ষ্য হলো বিদ্যুৎ ব্যবহারে দক্ষতা বাড়ানো এবং প্রচলিত বিদ্যুতের ওপর নির্ভরতা কমানোর সুযোগ তৈরি করা। বিশেষ করে দিনের বেলায় সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের সুবিধা কাজে লাগিয়ে গৃহস্থালি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় বৈদ্যুতিক পণ্যের বিদ্যুৎ চাহিদার একটি অংশ পূরণ করা সম্ভব হতে পারে। তবে প্রকৃত সাশ্রয়ের পরিমাণ নির্ভর করবে পণ্যের বিদ্যুৎ খরচ, সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনক্ষমতা, ব্যবহারের সময় এবং সংশ্লিষ্ট ব্যবস্থার ওপর।

ওয়ালটনের সোলার ইকো-সিস্টেম শুধু ফ্রিজ, এসি ও টেলিভিশনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন কাজে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার করার উপযোগী পণ্যও এই ব্যবস্থার আওতায় তুলে ধরা হয়েছে।

প্রদর্শিত পণ্যের তালিকায় রয়েছে ওয়াশিং মেশিন, ইলেকট্রিক কুকার, ওভেন, রাইস কুকার, বিএলডিসি ফ্যান, সৌরশক্তিনির্ভর পেডেস্টাল ফ্যান, টেবিল ফ্যান, বাল্ব এবং স্ট্রিট লাইট। এসব পণ্যের পাশাপাশি সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন ও সংরক্ষণের জন্য সোলার প্যানেল, সোলার পাওয়ার কেবল, স্টোরেজ ইনভার্টার এবং ব্যাটারিও প্রদর্শন করা হয়।

এই পণ্যসম্ভারের মাধ্যমে বাসাবাড়ির শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ, খাদ্য সংরক্ষণ, বিনোদন, রান্নাবান্না, কাপড় ধোয়া ও আলোকসজ্জার মতো দৈনন্দিন কাজে সৌরশক্তি ব্যবহারের সম্ভাবনা তুলে ধরা হয়েছে।

সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের পাশাপাশি বিদ্যুৎ সংরক্ষণের ব্যবস্থাও এ ধরনের প্রযুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সৌর প্যানেল থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করা যায়। উপযুক্ত ব্যাটারি ও ইনভার্টারের সমন্বয়ে বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর করা সম্ভব। তবে কোন পণ্য কতক্ষণ সৌরবিদ্যুতে চলবে, তা নির্ভর করবে সৌর প্যানেলের সক্ষমতা, ব্যাটারির ধারণক্ষমতা, আবহাওয়া এবং পণ্যের বিদ্যুৎ চাহিদার ওপর।

সোলার ইকো-সিস্টেম উদ্বোধনের পর অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ওয়ালটনের সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনব্যবস্থা ও সৌরশক্তিনির্ভর পণ্য ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি সোলার প্যানেল, সোলার পাওয়ার কেবল, স্টোরেজ ইনভার্টার, ব্যাটারি এবং সৌরবিদ্যুৎ চালিত বিভিন্ন গৃহস্থালি পণ্যের প্রযুক্তি ও জ্বালানি সাশ্রয়ের বিষয় সম্পর্কে অবহিত হন।

বিশেষ করে সোলার হাইব্রিড প্রযুক্তিনির্ভর এয়ার কন্ডিশনার, রেফ্রিজারেটর ও স্মার্ট টেলিভিশনে সৌরবিদ্যুৎ এবং প্রচলিত গ্রিড বিদ্যুতের সমন্বিত ব্যবহারের ব্যবস্থা দেখে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নতুন সুযোগ তৈরিতে ওয়ালটনের এই উদ্যোগের প্রশংসাও করেন তিনি।

এই প্রযুক্তির মূল ধারণা হলো, বিদ্যুতের একাধিক উৎসকে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ সরবরাহ করা। এতে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের সুযোগ বাড়ে এবং প্রচলিত বিদ্যুতের ব্যবহার কমানোর সম্ভাবনা তৈরি হয়।

শিল্পকারখানায় বিদ্যুতের ব্যবহার সাধারণত অনেক বেশি। উৎপাদন কার্যক্রম, যন্ত্রপাতি পরিচালনা, সংরক্ষণ এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাজে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ অবস্থায় সৌরবিদ্যুতের মতো নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার করলে প্রচলিত বিদ্যুতের ওপর নির্ভরতা কমানোর সুযোগ তৈরি হয়।

ওয়ালটনের নিজস্ব কারখানায় সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন ও ব্যবহার সেই সম্ভাবনাকে সামনে এনেছে। কারখানার ছাদ ও ভাসমান প্রকল্পের মাধ্যমে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন করে তা নিজস্ব কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। একই সঙ্গে উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে।

এ ধরনের উদ্যোগের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো পরিবেশগত প্রভাব কমানোর সম্ভাবনা। সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের সময় সরাসরি জীবাশ্ম জ্বালানি পুড়িয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রয়োজন হয় না। ফলে প্রচলিত জীবাশ্ম জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুতের পরিবর্তে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের মাধ্যমে সামগ্রিক কার্বন নিঃসরণ কমাতে সহায়তা করা সম্ভব। তবে প্রকৃত নিঃসরণ হ্রাসের পরিমাণ নির্ধারণ করতে হলে বিদ্যুতের উৎস, উৎপাদনব্যবস্থা এবং সামগ্রিক জ্বালানি ব্যবহারের হিসাব বিবেচনায় নিতে হবে।

ওয়ালটনের সোলার ইকো-সিস্টেমের মাধ্যমে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন, সংরক্ষণ, ব্যবহার এবং জাতীয় গ্রিডে সরবরাহকে একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় আনা হয়েছে। এতে শিল্পকারখানার পাশাপাশি বাসাবাড়িতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণের সম্ভাবনা তুলে ধরা হয়েছে।

বিশেষ করে ফ্রিজ, এসি ও টেলিভিশনের মতো নিয়মিত ব্যবহৃত পণ্যে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ানো গেলে বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে। পাশাপাশি ফ্যান, বাতি, রান্নার সরঞ্জাম ও অন্যান্য গৃহস্থালি পণ্যে সৌরশক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে দৈনন্দিন বিদ্যুৎ চাহিদার কিছু অংশ পূরণ করা সম্ভব হতে পারে।

তবে সৌরবিদ্যুতের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে পণ্যের সক্ষমতা, সঠিক সৌর প্যানেল নির্বাচন, ব্যাটারির ধারণক্ষমতা, স্থাপনব্যবস্থা এবং ব্যবহারকারীর বিদ্যুৎ চাহিদার মধ্যে সামঞ্জস্য থাকা প্রয়োজন। প্রযুক্তির প্রকৃত সুবিধা নির্ভর করবে এসব বিষয় যথাযথভাবে সমন্বয় করার ওপর।

সব মিলিয়ে, ওয়ালটনের ৩২ মেগাওয়াট সক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনব্যবস্থা এবং নেট মিটারিংয়ের মাধ্যমে বছরে গড়ে প্রায় ১১৫০ মেগাওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের উদ্যোগ শিল্পখাতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের একটি উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত। একই সঙ্গে সৌরবিদ্যুৎ চালিত ও হাইব্রিড প্রযুক্তিনির্ভর গৃহস্থালি পণ্যের মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তিকে দৈনন্দিন জীবনের আরও কাছাকাছি নিয়ে আসার উদ্যোগ নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। জ্বালানি সাশ্রয়, বিদ্যুতের দক্ষ ব্যবহার এবং পরিবেশগত প্রভাব কমানোর লক্ষ্যে এই সমন্বিত ব্যবস্থা ভবিষ্যতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।