সবজি-মাছের দাম কমার বদলে নতুন করে বাড়ায় বাজারে স্বস্তি ফিরছে না। সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহ থেকে আগাম শীতকালীন সবজির সরবরাহ শুরু হলেও এর প্রভাব পড়েনি দামে। বরং বেশ কিছু সবজি বিক্রি হচ্ছে শতকের ঘরে।

বাজারে এখন আগাম শীতকালীন সবজির দেখা মিলছে। তবে এক কেজি সিম কিনতে ক্রেতাদের গুনতে হচ্ছে প্রায় ২০০ টাকা। এ ছাড়া তাল বেগুন, কাঁচামরিচ, টমেটো ও করলাসহ বেশ কয়েকটি সবজির দামও রয়েছে ১০০ টাকার ওপরে।

বিক্রেতারা বলছেন, গত সপ্তাহের তুলনায় এ সপ্তাহে বেশ কিছু সবজির দাম বেড়েছে। খুচরা বিক্রেতাদের দাবি, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পর পরিবহন ব্যয়সহ বিভিন্ন খরচ বেড়ে যাওয়ায় তার প্রভাব পড়েছে বাজারে।

সাধারণত সেপ্টেম্বরের শেষ দিক থেকে আগাম শীতকালীন সবজি বাজারে আসতে শুরু করলে সবজির দামে কিছুটা স্বস্তি দেখা যায়। তবে এবার সরবরাহ শুরু হলেও সেই প্রত্যাশিত স্বস্তি মিলছে না। বরং বাড়তি দামের কারণে ক্রেতাদের বাজেট আরও চাপে পড়েছে।

শুধু সবজি নয়, সবজি-মাছের দাম দুই ক্ষেত্রেই বাড়তি চাপ অনুভব করছেন ক্রেতারা। মৌসুমের এই সময়ে মাছের দাম তুলনামূলক কম থাকার কথা থাকলেও এবার বাজারে দেখা যাচ্ছে উল্টো চিত্র।

বিক্রেতাদের ভাষ্য, হঠাৎ করে মাছের সরবরাহ কমে গেছে। আড়তগুলোতেও আগের তুলনায় মাছ কম আসছে। বিশেষ করে ইলিশের সরবরাহ কমে যাওয়ায় নদ-নদীর অন্যান্য মাছের ওপরও চাপ তৈরি হয়েছে।

গত সপ্তাহের তুলনায় অধিকাংশ মাছের দাম কেজিতে ৮০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা। ফলে মাছ ও সবজি দুটিই কিনতে গিয়ে সীমিত আয়ের মানুষের নাভিশ্বাস উঠছে।

তবে পেঁয়াজ, আলু, আদা ও রসুনের বাজারে বড় কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। বর্তমানে প্রতি কেজি আলু ৩০ টাকা, পেঁয়াজ ৫৫ টাকা এবং আদা-রসুন ১৫০ থেকে ১৬০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। ফলে অন্যান্য পণ্যের তুলনায় এসব পণ্যের দাম আপাতত স্থিতিশীল রয়েছে।