ইরান আলোচনার শর্ত এখন আরও কঠোর অবস্থানে পৌঁছেছে, যেখানে মার্কিন নৌ অবরোধ প্রত্যাহারকে কেন্দ্র করে নতুন করে কূটনৈতিক অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আল-জাজিরাকে দেওয়া একটি নির্ভরযোগ্য সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, অবরোধ প্রত্যাহার ছাড়া ইরান কোনো আলোচনায় অংশ নেবে না।
পাকিস্তানে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূতও একই অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন, যা আঞ্চলিক কূটনীতিতে চাপ আরও বাড়িয়েছে। সূত্র জানায়, ইরানকে আলোচনায় ফেরাতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী সরাসরি যোগাযোগ করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে।
এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলেও উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে এখনো পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত সমঝোতার ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।
ইরান পক্ষ থেকে আলোচনার প্রস্তাব নিয়ে গভীর সন্দেহ দেখা দিয়েছে। তাদের আশঙ্কা, দীর্ঘ আলোচনার পরও নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার বা জব্দ অর্থ ফেরত পাওয়ার বিষয়টি আবারও অনিশ্চিত থেকে যেতে পারে।
দেশটির অভ্যন্তরীণ সূত্রগুলো বিষয়টিকে “কৌশলগত চাপ প্রয়োগের মাধ্যম” হিসেবে দেখছে। তাদের দাবি, অতীতে আলোচনার পরপরই ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত সামরিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল, যা বর্তমান পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।


মন্তব্য
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।
একটি মন্তব্য লিখুন