গভীর নিম্নচাপ পশ্চিম দিকে সরে গিয়ে আরও দুর্বল হয়েছে। তবে এর প্রভাব এখনো পুরোপুরি কাটেনি। তাই দেশের চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত বহাল রেখেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও উপকূলীয় এলাকায় দমকা থেকে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বুধবার প্রকাশিত সর্বশেষ আবহাওয়া সতর্কবার্তায় জানানো হয়েছে, গভীর নিম্নচাপটি উত্তর উড়িষ্যা অতিক্রম করে তৎসংলগ্ন দক্ষিণ ঝাড়খণ্ড এলাকায় অবস্থান করছে। এটি ধীরে ধীরে পশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে এবং ক্রমান্বয়ে শক্তি হারিয়ে দুর্বল হয়ে পড়তে পারে।
যদিও নিম্নচাপের শক্তি কমেছে, তবুও এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে বায়ুচাপের পার্থক্য বেশি রয়েছে। ফলে সমুদ্র এলাকায় দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেতের আওতায় রাখা হয়েছে।
আবহাওয়াবিদদের মতে, উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দা, মাছ ধরার নৌকা এবং ট্রলারগুলোকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করতে হবে। সমুদ্রের পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত অপ্রয়োজনীয় ঝুঁকি এড়িয়ে চলাই নিরাপদ। পরিস্থিতির ওপর নজর রেখে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নিম্নচাপের প্রভাবে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনাও রয়েছে। কোথাও কোথাও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। ফলে নিচু এলাকায় সাময়িক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হতে পারে এবং নদীবন্দর এলাকায়ও সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, নিম্নচাপটি আরও দুর্বল হয়ে স্থলভাগে বিলীন হয়ে যেতে পারে। তবে এর প্রভাবে সৃষ্ট ঝোড়ো হাওয়া ও বৃষ্টির পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে কিছুটা সময় লাগতে পারে। তাই উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দাদের সর্বশেষ আবহাওয়ার বুলেটিন অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানানো হয়েছে।


মন্তব্য
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।
একটি মন্তব্য লিখুন