সঞ্জয় দেব ঢাকায় বিশ্বকাপ ফাইনাল উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ সংগীত অনুষ্ঠানে অংশ নিতে এসেছেন। ফিফা বিশ্বকাপের আর্জেন্টিনা ও স্পেনের মধ্যকার ফাইনাল ম্যাচকে ঘিরে রাজধানীতে আয়োজন করা হয়েছে বড় পর্দায় খেলা দেখার পাশাপাশি দুটি আলাদা কনসার্ট। এই আয়োজনে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ডিজে ও সংগীত পরিচালক সঞ্জয় দেব এবং জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী প্রীতম হাসান দর্শকদের মাতিয়ে তুলবেন। খেলা ও সংগীতের সমন্বয়ে এই আয়োজনকে ঘিরে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ।
রোববার রাত থেকে শুরু হওয়া এই আয়োজন ঢাকার দুটি ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বিশ্বকাপ ফাইনালকে সামনে রেখে দর্শকদের জন্য বিশেষ স্ক্রিনিংয়ের পাশাপাশি লাইভ পারফরম্যান্সের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আয়োজকদের মতে, রাতভর চলা এই অনুষ্ঠানে ফুটবল উন্মাদনার পাশাপাশি থাকবে দেশি-বিদেশি শিল্পীদের প্রাণবন্ত পরিবেশনা। ১৯ জুলাই রাত থেকে ২০ জুলাই সকাল পর্যন্ত চলবে পুরো আয়োজন।
সঞ্জয় দেব সম্প্রতি বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কানাডায় বলিউড অভিনেত্রী নোরা ফাতেহির সঙ্গে একই মঞ্চে পারফর্ম করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনায় আসেন। এরপর যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে আয়োজিত একাধিক বিশ্বকাপ ফ্যান ফেস্টেও সংগীত পরিবেশন করেন তিনি। সেই ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবেই এবার নিজ দেশের দর্শকদের সামনে পারফর্ম করতে ঢাকায় এসেছেন। অনুষ্ঠান শেষে তাঁর যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় যাওয়ার কথা রয়েছে, যেখানে সানফ্রান্সিসকোতে আরও একটি কনসার্টে অংশ নেবেন।
ঢাকায় পৌঁছানোর পর সঞ্জয় দেব অনুষ্ঠানস্থল ঘুরে দেখেন এবং আয়োজন নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। তিনি জানান, বিশ্বকাপ উপলক্ষে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মঞ্চে গান গাওয়ার অভিজ্ঞতার পর এবার নিজের শিকড়ের শহরে পারফর্ম করতে পারা তাঁর জন্য বিশেষ অনুভূতির। অন্যদিকে এই কনসার্টে তাঁর সঙ্গে মঞ্চে থাকবেন ডিজে তৃষা ও ডিজে রিশাদ, যা অনুষ্ঠানকে আরও বৈচিত্র্যময় করে তুলবে বলে আশা করছেন আয়োজকেরা।
বিশ্বকাপ ফাইনালকে কেন্দ্র করে ইউনাইটেড কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হবে ‘ফাইনাল কিকঅফ’ শীর্ষক আরেকটি বিশেষ অনুষ্ঠান। সেখানে বড় পর্দায় ফাইনাল ম্যাচ উপভোগের পাশাপাশি দর্শকরা উপভোগ করবেন প্রীতম হাসানের পরিবেশনা। তাঁর সঙ্গে মঞ্চে থাকবেন ফিরোজ জং, দ্য ব্রাউন টেস্টামেন্ট এবং জেসিয়া ইসলাম। আয়োজকদের বিশ্বাস, ফুটবল ও সংগীতপ্রেমীদের জন্য এটি হবে স্মরণীয় একটি রাত।
বর্তমানে আয়োজনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে এবং দর্শকদের উপস্থিতি ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক মানের সংগীত পরিবেশনা ও বিশ্বকাপ ফাইনালের উত্তেজনা একসঙ্গে উপভোগ করার সুযোগ তৈরি হওয়ায় এই অনুষ্ঠান নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। আয়োজকদের প্রত্যাশা, খেলা ও সংগীতের এই ব্যতিক্রমী আয়োজন দর্শকদের জন্য একটি অনন্য অভিজ্ঞতা হয়ে থাকবে।


মন্তব্য
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।
একটি মন্তব্য লিখুন